• আজ- শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ০৬:১৪ অপরাহ্ন
Logo

দেশজুড়ে প্রশংসায় ভাসছেন আবদুস সামাদ ফারুক

লেখক : / ২১৪ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শুক্রবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৩

add 1

সাহিত্যপাতা ডেস্ক: আবদুস সামাদ ফারুক তার সুদীর্ঘ কর্মজীবনে দেশের বিভিন্ন স্থানে বহু প্রশাসনিক, উন্নয়নমূলক ও সেবামূলক কাজ করে সুনাম বয়ে এনেছে শেরপুরবাসীসহ দেশবাসীর মুখে। তাকে নিয়ে প্রশংসায় মেতে উঠেছেন সর্বমহল। ১৯৫৯ সালের ২৭ মার্চ শুক্রবার নকলা উপজেলার গৌড়দ্বার গ্রামে নানার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন আবদুস সামাদ ফারুক। মরহুম আলহাজ্ব মো. আবদুল আহাদ ও মোছা: হাসনারা বেগম এর আলোকিত সন্তান সামাদ এখন দেশব্যাপী পরিচিত। সামাদের জন্ম নানার বাড়ি, শেরপুর জেলার নকলার গৌড়দ্বার গ্রামে। তার পৈত্রিক নিবাস রানীগাঁও গ্রাম, নালিতাবাড়ী, শেরপুর। দাদার নাম মাওলানা মো. হাসমত উল্লাহ দেওবন্দী। আব্দুস সামাদ ফারুক সুলতানা নিলুফার জাহানকে বিয়ে করেন। তার শ্বশুর প্রখ্যাত চিকিৎসক ডা: মো. আবদুল হামিদ। বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্নজীবনী’র ৭১ পৃষ্ঠায় আসানসোলে দাঙ্গায় আহত মানুষদেরকে সেবাদানের বিষয়ে তার নাম উল্লেখ আছে। মূলত দাদার হাতে সামাদের হাতেখড়ি। রানীগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৯৬৫ সালে ক্লাস ওয়ানে ভর্তি হন। প্রাথমিক শিক্ষার সময় শ্রদ্ধেয় শিক্ষক মরহুম মো: নুরুল হকের কঠোর শাসন ও স্নেহাশীষ লাভ। ১৯৭০ সালে বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১০ টাকার সরকারি বৃত্তি লাভ করেন। নালিতাবাড়ী উপজেলায় দু’জন ছাত্র এই বৃত্তি লাভ করেন। অপরজন মো. আমিন তারিক, পরবর্তীতে ব্রিগ্রেডিয়ার জেনারেল। ১৯৭১ সালের জানুয়ারি মাসে পিতার হাত ধরে তারাগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে গমন এবং ৬ষ্ট শ্রেণিতে ভর্তি। হাইস্কুলে পড়াকালীন সময়ে শিক্ষাগুরু নগেন্দ্র চন্দ্র পাল বি,এ বিটি মহাশয়সহ শ্রদ্ধেয় শিক্ষকগণের স্নেহ লাভ করেন। ১৯৭৬ সালে এসএসসি পরীক্ষায় গণিতে লেটারসহ ১ম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়ে ঢাকা কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণিতে ভর্তি। ঢাকা কলেজ থেকে দ্বিতীয় বিভাগে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএসসি কৃষি প্রকৌশলে ১৯৭৯-৮০ সেশনে ভর্তি এবং ১৯৮৩-৮৪ সেশনে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হন। এ সময় শাহজালাল হলের পূর্ব-৫ নং রুমে তিনি আবাসিক ছাত্র। বিসিএস ’৮৫ (ব্যাচ) এর ১৯৮৮ সালে বিসিএস (সচিবালয়) ক্যাডারে সহকারি সচিব পদে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে যোগদান করেন। ১৯৯১ সাল থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত তিনি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব/ সিনিয়র সহকারী সচিব পদে নিয়োজিত ছিলেন। ২০০৯ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত তিনি সাতক্ষীরা জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১২ সালে তিনি যুগ্ম-সচিব (ওএসডি) হিসেবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে নিযুক্ত ছিলেন। ২০১২ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত তিনি রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৪ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) হিসেবে খুলনায় কর্মরত ছিলেন। ২০১৭ থেকে ২০২০ পর্যন্ত সচিব ও সিনিয়র সচিব হিসেবে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২০ সাল থেকে তিনি সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন—এর চেয়ারপার্সন হিসেবে এখন পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করছেন।

শিক্ষা জীবন: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি এগ্রি: ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী গ্রহণের পর ২০০৬ সালে সাউথ ইস্ট ইউনিভার্সিটি থেকে মাস্টার্স অফ বিজনেস এ্যাডমিনিস্ট্রেশন ডিগ্রী অর্জন করেন। স্পেনে তিনি পরিবেশ বিষয়ক কোর্স ‘Quality and Environment for a Sustainable Tourist Development’ অংশগ্রহণ করেছিলেন। যুক্তরাজ্যের University of Wolverhampton থেকে SuperMatt-2 কোর্স সম্পাদন করেছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডিউক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে Professional Development Program কোর্স সম্পন্ন করেন। বিশ্বের ১ নম্বর বিশ্ববিদ্যালয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের Harvard University থেকে Leadership Development Course কোর্সে অংশগ্রহণ করেছিলেন। জগৎ বিখ্যাত Oxford University এর কার্যক্রম তিনি দুইবার প্রত্যক্ষ করেন।

স্বীকৃতি, পুরস্কার ও সম্মাননা: (১) মো. আবদুস সামাদ তাঁর উদ্ভাবনী শক্তি ও মেধার স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন পুরস্কারে ভূষিত হন। তাঁর পরিকল্পনা ও নেতৃত্বে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিঘাত মোকাবেলায় অভিযোজন কাজ হিসেবে সাতক্ষীরার মৃত নদী মরিচ্চাপ খনন করা হয়। উক্ত কাজের মাধ্যমে নদ-নদীর নাব্যতা সৃষ্টি, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, খাদ্য উৎপাদন ও জীব বৈচিত্র্য সুরক্ষার জন্য জেলা প্রশাসন, সাতক্ষীরাকে প্রথমবারের মতো চালুকৃত HSBC-The Daily Star Climate Adaptation Award 2010 প্রদান; (২) পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় কর্তৃক পরিবেশ সংরক্ষণমূলক কাজের জন্য তাকে বিশ্ব পরিবেশ দিবস, ২০১১ এর জাতীয় অনুষ্ঠানে বিশেষ সম্মননা; (৩) সাতক্ষীরা জেলায় জেলা ই-সেবা এবং ইউনিয়ন তথ্য সেবা কার্যক্রম সুচারুভাবে পরিচালনার জন্য ১৪ নভেম্বর ২০১১ তাকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক হিসেবে তাকে পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান; (৪) বাংলাদেশ লোক প্রশাসন কেন্দ্র, সাভার কর্তৃক আয়োজিত Managing at the Top-2 কোর্সের ২৮তম ব্যাচের প্রশিক্ষণার্থীদের মূল্যায়নে তাঁকে শ্রেষ্ঠ উপস্থাপকের সম্মাননা প্রদান; (৫) আইসিটিতে বিশেষ অবদানের জন্য শ্রেষ্ঠ বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে স্বীকৃতি ও পুরস্কার লাভ; (৬) বাল্যবিবাহ নিরোধ ও নারীর ক্ষমতায়নের জন্য ইউনেস্কো ও কানাডার হাইকমিশনার প্রদত্ত সম্মাননা লাভ। (৭) ঈক্ষণ সাংস্কৃতিক পরিষদ সম্মাননা ২০১৪, শুভেচ্ছা সাহিত্য পুরস্কার, ২০১১, কবিতা পরিষদ পুরস্কার ২০১০ লাভ করেন। (৮) সাহিত্যে সৃজনশীল কাজের জন্য কবিতালাপ পুরস্কার, কবি সিকান্দার আবু জাফর পদক, দৈনিক দৃষ্টিপাত পুরস্কার, সমরেস বসু পুরস্কার, মাসিক সাহিত্য পত্রিকা সম্মাননাসহ এবং বহু সম্মাননা লাভ করেন।

সংগঠন সম্পৃক্ততা: ১। তিনি ঢাকাস্থ শেরপুর জেলা সমিতির নির্বাহী সভাপতি। ২। ঢাকাস্থ বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির সহ—সভাপতি। ৩। বৃহত্তর ময়মনসিংহ সাংস্কৃতিক ফোরামের নির্বাহী সভাপতি। ৪। বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমন্বয়পরিষদের সহ—সভাপতি। ৫। বৃহত্তর ময়মনসিংহ কর্মজীবি সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি। ৬। আন্তজার্তিক নজরুল চর্চা কেন্দ্রের নির্বাহী সভাপতি। ৭। বাংলা একাডেমির আজীবন সদস্য। ৮। বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির জীবন সদস্য। ৯। বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি। ১০। বাংলাদেশ ডায়াবেটিস সমিতির নির্বাহী পরিষদের সদস্য। ১১। ঢাকা আহছানিয়া মিশনের নির্বাহী কমিটির সদস্য ও চেয়ারম্যান, অডিট কমিটি। ১২। আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের জীবন সদস্য। ১৩। উমেশ চন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরী, খুলনার জীবন সদস্য। ১৪। শেরপুর ডায়াবেটিক সমিতির জীবন সদস্য। ১৫। অফিসার্স ক্লাব ঢাকা ও অফিসার্স ক্লাব উত্তরার আজীবন সদস্য। ১৬। সদস্য, কৃষিবিদ ইন্সটিউশন, বাংলাদেশ (KIB), ঢাকা। ১৭। সদস্য, ইঞ্জিনিয়ার ইন্সটিউশন, বাংলাদেশ (IEB), ঢাকা। ১৮। সদস্য, অবসর কল্যাণ সমিতি, ঢাকা। ১৯। বিসিএস ’৮৫ ব্যাচের সদস্য। ২০। জাইকা অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের সদস্য। ২১। সভাপতি, মাওলানা হাসমত উল্লাহ দেওবন্দী ফাউন্ডেশন। ২২। প্রধান উপদেষ্টা নালিতাবাড়ী ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব। ২৩। সভাপতি, তারাগঞ্জ মধ্যবাজার মসজিদ ও মাদ্রাসা কমিটি।

কর্মযজ্ঞ: তিনি নকলা-নালিতাবাড়ীসহ শেরপুর জেলার অসংখ্য উন্নয়ন কাজ করেছেন। তন্মধ্যে- (১) ১৯৯৩ সালের স্থানীয় সরকার বিভাগের সহকারী সচিবপদে কর্মরত থাকাকালীন নালিতাবাড়ী পৌরসভা স্থাপন এবং ট্যাক্সসহ অর্থ বরাদ্দকরণ। (২) ১৯৯৪ সালে নালিতাবাড়ী-ধারা রাস্তাটি পাকাকরণের জন্য এলজিইডি-এর অধীনস্থ অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় তালিকা অন্তর্ভুক্তিকরণসহ অর্থ বরাদ্দকরণ। (৩) তাছাড়াও এলজিইডি-এর আওতায় বিভিন্ন রাস্তাঘাট, অবকাঠামো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ ও যথোপযুক্ত কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে তা বাস্তবায়ন। (৪) বিভিন্ন গ্রামে প্রায় ৪০০টি পানি খাওয়ার নলকূপ স্থাপন। (৫) কোভিড-১৯ এ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য ১২,০০০০০ (বার লক্ষ) টাকা অনুদান বিতরণ, মাস্ক ও সেনিটাইজার বিতরণ। (৬) বিভিন্ন হাইস্কুল, প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার ভবন নির্মাণের জন্য শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সাথে যোগাযোগ করে ভবন নির্মাণ। (৭) শিক্ষা মন্ত্রণায়ের সাথে যোগাযোগ করে একাডেমিক স্বীকৃতি ও এমপিওভূক্তির ব্যবস্থাকরণ। (৮) উন্নত জাতের আম চাষে কৃষকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান। (৯) কয়েকশত বেকার ছেলে-মেয়েকে সরকারি সংস্থা/ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকুরির ব্যবস্থাকরণ। (১০) তারাগঞ্জ মধ্যবাজার মসজিদটির ৬তলা ফাউন্ডেশন দিয়ে ৪তলা পর্যন্ত নির্মাণে অর্থ সংগ্রহ করে নির্মাণ সম্পন্নকরণ। (১১) গৌড়দ্বার বাজার মসজিদটি ২তলা পর্যন্ত নির্মাণ সম্পন্নকরণ। (১২) নকলা-নালিতাবাড়ীর ৩শত মসজিদকে ২তলা/ ১তলা ৫০ হাজার টাকা করে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে সংগ্রহ করে অনুদান প্রদান। (১৩) শেরপুর জেলার ৫টি উপজেলাকে সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (এসডিএফ)-এর অন্তর্ভুক্তীকরণ। দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচি গ্রহণ। অক্ষম জনগোষ্ঠীকে ৫ হাজার কিংবা ৯ হাজার টাকা করে অনুদান প্রদান। প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাকরণ। গ্রাম সমিতিগুলোকে গড়ে ৪০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত তহবিল প্রদান। এই অর্থ দ্বারা আত্মকর্মস্থানের সুযোগ সৃষ্টি।

সাহিত্য চর্চা: (১) ‘ঘাস ফড়িংয়ের জোছনাস্নান’ ও ‘শিশিরে জীবন কল্লোল’ তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। (২) হাজার বছরের নদী বিষয়ক কবিতার সংকলন ‘কল্লোলিনীর কলতান’ সম্পাদিত গ্রন্থ। (৩) মহান মুক্তিযুদ্ধের চিরঞ্জীব শহিদ স্বাধীনতার পদক প্রাপ্ত ন. ম নাজমুল আহসানের জীবন ও যুদ্ধ নিয়ে প্রকাশিত তাঁর অসাধারণ গ্রন্থ ‘জল জোছনায় নাজমুল’। তাঁর অপর গদ্য গ্রন্থ ‘আলো হাতে আঁধারের যাত্রী’। (৪) তাঁর প্রেরণায় ও প্রচেষ্টায় সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত ২য় দুটি গ্রন্থ: (ক) উস্তাদ কাউছার আলীর জীবন ও কর্ম। (খ) তবিবুর রহমান: জীবন ও কর্ম । (৫) সাতক্ষীরা জেলায় তাঁর সাহিত্য, সংস্কৃতি চর্চা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রকাশিত হয় দুটো গ্রন্থ: (ক) সাতক্ষীরা জেলা সাংস্কৃতিক পরিষদ প্রকাশ করে ‘পুষ্পাঞ্জলি’। (খ) মণ্ময় মুনীর সম্পাদিত ‘শুভ্র সমুজ্জ্বল’।

বিদেশ সফর: সরকারী গুরুত্বপূর্ণ কাজে তিনি সেমিনার, সম্মেলনসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের লক্ষে বিশ্বের অনেক দেশ সফর করেন। বিদেশ সফরের মধ্যে রয়েছে— জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, জার্মানী, স্পেন, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, ভারত, সিংগাপুর, শ্রীলংকা, সৌদি আরব, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, কাতার, দক্ষিণ আফ্রিকা, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সুইজারল্যান্ড, বেলজিয়াম, লুঙ্মেবার্গ, ফ্রান্স, পর্তুগাল, আজারবাইজান এবং তুরস্ক।

রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা: মো. আবদুস সামাদ বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন কর্মী হিসেবে শেরপুর সরকারি কলেজ ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৭৯-৮০ থেকে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত অবদান রাখেন। তিনি ১৯৭৯ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ প্রার্থী ডা: নাদিরুজ্জামান খানের পক্ষে কাজ করেন। তাঁর নানা ডা: নাদিরুজ্জামান খান ১৯৭০ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমপিএ হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৭৯ ও ১৯৮৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও প্রতিদ্বন্দিতা করেন। তাঁর ছোট ভাই মো. আবদুস সবুর নাজমুল স্মৃতি কলেজ থেকে ছাত্রলীগের প্যানেলে নির্বাচিত ভিপি এবং বর্তমানে নালিতাবাড়ী উপজেলার আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং বাঘবেড় ইউপি’র তিন বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান। বর্তমানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া উপ-কমিটির সদস্য মো. আবদুস সামাদ ফারুক। বর্তমানে তিনি সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (এসডিএফ)-এর গভর্নিং বডির চেয়ারপার্সন হিসেবে অনারারী দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি শীর্ষ খবর প্রতিনিধিকে বলেন, ‘সারাজীবন যেন দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করে যেতে পারি দেশবাসীর কাছে সেই দোয়া চাই।’

add 1


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ

আজকের দিন-তারিখ

  • শুক্রবার (সন্ধ্যা ৬:১৪)
  • ১৯ এপ্রিল, ২০২৪
  • ৯ শাওয়াল, ১৪৪৫
  • ৬ বৈশাখ, ১৪৩১ (গ্রীষ্মকাল)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Sundarban IT