• আজ- রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন
Logo

আহসান উল্লাহ মাস্টারের ১৯তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ

লেখক : / ৯৯ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : রবিবার, ৭ মে, ২০২৩

add 1

প্রখ্যাত শ্রমিক নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টারের ১৯ম শাহাদাতবার্ষিকী আজ রোববার। এ উপলক্ষে ঢাকা ও গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে স্মৃতি পরিষদের পক্ষ থেকে পক্ষকাল ব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। কর্মসুচির মধ্যে রয়েছে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল, ইফতার ও তবারক বিতরণ, স্মরণ সভা এবং স্মরণিকা প্রকাশ। রোববার সকালে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৩৯ নং ওয়ার্ডের হায়দরাবাদ গ্রামে শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টারের কবরে পুপার্ঘ্য অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন ও বিকেলে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল ও তবারক বিতরণ, স্মরণ সভা। এসব কর্মসূচিতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করবেন। আহসান উল্লাহ মাস্টারের ১৯তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্টপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, গণতন্ত্রের বিকাশে শহিদ আহ্সান উল্লাহ মাস্টারের মতো ত্যাগী, সংগ্রামী ও জনদরদি নেতৃত্ব নতুন প্রজন্মকে আলোর পথ দেখাবে। পৃথক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শ্রমিক নেতা আহ্সান উল্লাহ মাস্টার হত্যাকান্ডের বিচার কার্যক্রম এখনও চলছে। তিনি আশা করেন, বিচারকার্য চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়ে বিচারের রায় দ্রুত কার্যকর হবে। উল্লেখ্য, শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার গাজীপুর- ২ ও গাজীপুর সদর-টঙ্গী আসন হতে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে দুবার সংসদ সদস্য, ১৯৯০ সালে গাজীপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এবং ১৯৮৩ ও ১৯৮৭ সালে দু’দফা পূবাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি ছিলেন আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য। তিনি জাতীয় শ্রমিক লীগের কার্যকরী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ছিলেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ – (বিলস)-এর চেয়ারম্যান। তিনি শিক্ষক সমিতিসহ বিভিন্ন সমাজসেবামূলক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন। ১৯৯২ সালে উপজেলা পরিষদ বিলোপের পর চেয়ারম্যান সমিতির আহ্বায়ক হিসেবে উপজেলা পরিষদের পক্ষে মামলা করেন ও দেশব্যাপী আন্দোলন গড়ে তোলেন। এক পর্যাযে তিনি গ্রেপ্তার হন ও কারা ভোগ করেন। উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ৭ মে বিএনপি জোট সরকারের মদদপুষ্ট একদল সন্ত্রাসী নোয়াগাঁও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে তাকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করে। ২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল দ্রুত বিচার আইনে এ হত্যা মামলার রায় হয়। শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টারের বড় ছেলে এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল এমপি গ্রামের বাড়ি হায়দরাবাদ, টঙ্গী ও গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় আওয়ামী লীগ ও শ্রমিক লীগসহ সকলকে শহীদ আহসান উল্লাহ মা¯টারের শাহাদৎ বার্ষিকীর কর্মসুচিতে অংশগ্রহণ করার জন সকলের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন। শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার স্মৃতি পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুল বাতেন ও সাধারণ স¤পাদক আতাউর রহমান মসজিদে মসজিদে আহসান উল্লাহ মাস্টারের সকল কর্মসূচি সফল এবং তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় সবইাকে বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।

add 1


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ

আজকের দিন-তারিখ

  • রবিবার (সকাল ৮:৪৩)
  • ১৬ জুন, ২০২৪
  • ৯ জিলহজ, ১৪৪৫
  • ২ আষাঢ়, ১৪৩১ (বর্ষাকাল)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Sundarban IT