• আজ- বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ০১:৪৮ অপরাহ্ন
Logo
/ নবী হোসেন নবীন
নবী হোসেন নবীন বিপুলা এই পৃথিবী এক মহাগ্রন্থ কেউ পড়ে জ্ঞানী হয় কেউ মোহগ্রস্ত। লেখক যিনি তাহার প্রকাশক তিনি নানা জনে নানা নামে তারে সবে চিনি। কেউ তারে আল্লাহ বলে বিস্তারিত
নবী হোসেন নবীন জীবনের ভেক্টর জ্যামিতি চলে সামান্তরিক সূত্র মেনে এক বাহুতে স্ত্রী তার অন্য বাহুতে সন্তান প্রয়োজন টেনে নেয় কর্ণ রেখায়। পিছনে অতীত টানে সামনে ভবিষ্যৎ আমি স্থির দাঁড়িয়ে
নবী হোসেন নবীন পৌষের সোনালি রোদের মত মিষ্টি ছিল না আমার জীবন ছিল না ভরা চাঁদের জোছনাস্নাত স্নিগ্ধকোমল। গোধূলির আলো ও আঁধারের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে দেখেছি জীবনের আঁধার ও আলোকিত অধ্যায়।
নবী হোসেন নবীন অন্যায়ের প্রতিবাদে ধরেছি কলম কলমে কেটে কুশন লাগাব মলম। অত্যাচারীর কৃপাণ করে খানখান বিশ্বে উড়াব আবার শান্তির নিশান। আমার অধিকারে যে করবে আঘাত প্রতিঘাতে ভেঙ্গে দেবো আমি
নবী হোসেন নবীন মৃত বলে যারা মোরে করে অবহেলা দেখেনি তারা আমার অলৌকিক খেলা। কবর থেকেও আমি দিতে পারি ভোট মামলার আসামী হয়ে ঘুরে যাই কোর্ট। মরে গিয়ে আমি আজ
নবী হোসেন নবীন কে বলে নিষ্প্রাণ ছবি তুমি মহাকবি। কর্ম তোমার কালজয়ী কবিতা বাংলা মহাকাব্যের তুমি রচয়িতা। অমর কবিতা হয়েছে লিখা বারবার তর্জনী হেলনে তোমার। একদিন মরে যায় কবি রয়ে
নবী হোসেন নবীন কবির কাছে বৃষ্টি যতটা ছন্দময় তার কাছে ততটা নয় যার ঘরে পানি পড়ে হলে বরিষণ। বৃষ্টির ছন্দ বোঝে সে অভাজন কবিতার খাতা হতে একমুঠো ছন যার বেশি
নবী হোসেন নবীন এজিদের অবিচার রুখে দিবে বারবার হোসেনের তলোয়ার। মজলুম জনতার ফিরে পেতে অধিকার হোসেনের দরকার। যেথায় আসে অভিঘাত জোরে করে প্রতিঘাত বেছে নাও শাহাদাৎ। শোকের এ চেতনায় জেগে

আজকের দিন-তারিখ

  • বুধবার (দুপুর ১:৪৮)
  • ২২ মে, ২০২৪
  • ১৩ জিলকদ, ১৪৪৫
  • ৮ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ (গ্রীষ্মকাল)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Sundarban IT