• আজ- রবিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৮:০৩ অপরাহ্ন
Logo

মুখে দুর্গন্ধ কেন হয়? সমাধানের উপায়

লেখক : / ১২৬ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শনিবার, ১৫ জুলাই, ২০২৩
মুখে দুর্গন্ধ হলে করণীয়
মুখে দুর্গন্ধ হলে করণীয়

add 1

দাঁত’র মাড়িতে খাদ্য জমে অনেক সময় দেখা যায়, মাড়ি ফুলে পুঁজ ও রক্ত পড়ে। এতে মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে। এছাড়ও মাড়ির দাঁতের ভাঙা গোড়া দীর্ঘদিন মুখে থাকার কারণে ইনফেকশন, ধূমপান, মদ্যপান বা অন্যান্য নেশায় আসক্ত থাকলে মুখের দুর্গন্ধ হবে।  এসব সাধারণ বা স্থানিক কারণে সৃষ্ট মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে দরকার দাঁত ও মুখের সঠিক পরিচর্যা। এজন্য সঠিক রোগ নির্ণয় এবং উপযুক্ত চিকিৎসার বিকল্পের জন্য একজন যোগ্য ডেন্টিস্ট বা ডেন্টাল পেশাদারের সাথে পরামর্শ প্রয়োজন।

শারীরিক সমস্যার মধ্যে আছে অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, পেটের পীড়া, বদহজম, দীর্ঘস্থায়ী ফুসফুসের রোগ, লিভারের সমস্যা, কিডনির ক্রনিক সমস্যা, টনসিলজনিত সমস্যা ইত্যাদি। এ ছাড়া অনাত্যাসে পরিবর্তন, দীর্ঘ সময় ধরে না খেয়ে থাকা, মুখ নিয়ে শ্বাস নেওয়ার অভ্যাসগত সমস্যাও শারীরিক সমস্যার মধ্যে পড়ে।
ডায়াবেটিস রোগের অন্যতম লক্ষণ মুখের দুর্গন্ধ। এই রোগ নিয়ন্ত্রণ না করলে দুর্গন্ধের মাত্রা বাড়তেই থাকে। যাঁরা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত, তাঁদের রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধির কারণে এ দুর্গন্ধ হয়। এসব সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ রাখা আবশ্যক। রক্তে যদি শর্করা বেড়ে যায়, তাহলে দাঁত এবং মাড়ির রোগ, ব্যাথা বাড়বে।

কিডনির সমস্যা বা কিডনি অকার্যকারিতার একটি লক্ষণও শ্বাসের দুর্গন্ধ। যকৃৎ বা লিভারের সমস্যায়ও অনেক সময় মুখে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়। যা ফিটর হেপাটিকাস হিসেবে পরিচিত।

থুতু বা লালা আমাদের মুখের জীবাণু নিয়ন্ত্রণের জন্য দরকার। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে লালার পরিমাণ কমে যায়, এ কারণে ব্যাকটেরিয়ার দ্রুত প্রজননের কারণেও মুখে দুর্গন্ধ হয়। মুখের পানিশূন্যতা, কম পানি পান বা যেসব খাবার মুখের দুর্গন্ধের সৃষ্টি করে, সেগুলো খেলে দুর্গন্ধ বাড়বে। দীর্ঘ সময় অনাহার ও পরিষ্কার না করার কারণে জিহ্বার ওপর সালফারের প্রলেপ পড়ে মুখে দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়।

মুখের যত্ন নিন: নিয়মিত সঠিক সময় ও সঠিক পদ্ধতিতে দাঁত ব্রাশ করতে হবে। সকালে ও রাতে খাবারের পর দুই মিনিট দাঁত ব্রাশ করতে হবে। মনে রাখতে হবে, সকালে অবশ্যই নাশতা খাওয়ার পর ব্রাশ করতে হবে। ব্রাশ করার পাশাপাশি ফ্লসিং বা দুই দাঁতের ফাঁকে আটকে থাকা খাদ্যকণা পরিষ্কার করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ব্রাশ করার আগে কিংবা পরে যেকোনো সময় ফ্লসিং করা উচিত। তবে, ব্রাশ করার আগে করাই উত্তম। আমাদের মনে রাখতে হবে, শুধু ব্রাশ দিয়ে দাঁতের সকল স্থানে পরিস্কার করা সম্ভব হয়না। এজন্য মাঝে মাঝে মুখ ওয়াশ করতে হবে। এক্ষেত্রে হালকা গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে কুলি করা বা গার্গল করলে ভালো ফলাফল পেতে পারেন।

বাজারে অনেক ধরনের মাউথওয়াশ পাওয়া যায়, বা দুই যেগুলো ক্লোরহেক্সিডিন এবং পোভিডন আয়োডিন সমৃদ্ধ। চাইলে সেগুলো ব্যবহার পশ করার করা যায়। খাবার গ্রহণের ৩০ মিনিট পর ফ্লসিং মাউথওয়াশ ব্যবহার করতে হবে কমপক্ষে আগে ৩০ সেকেন্ড। তবে মাউথওয়াশ করার পর কমপক্ষে আধাঘন্টা কোন প্রকার খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত।

add 1


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ

আজকের দিন-তারিখ

  • রবিবার (রাত ৮:০৩)
  • ১০ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ২৫ জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৫
  • ২৫ অগ্রহায়ণ, ১৪৩০ (হেমন্তকাল)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Sundarban IT